সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আমার সম্পর্কে

আমার ওজন আছে, স্থান দখল করি। আমাকে ধাক্কা দিলে নির্দিষ্ট বল ছাড়া নড়ানো যায় না, তবুও লোকে আমাকে অপদার্থ বলে। যেহেতু ব্যাপারটা পদার্থবিজ্ঞান মেনে নেয় না, তাই অত চিন্তা করি না। আমার নাম মোহাম্মদ আল আমিন। কতজন বিশ্বাস করে তা বলা কঠিন, তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

নিজের সম্পর্কে আর কী বলব বুঝতে পারছি না। তবে কিছু স্বভাবের কথা বলি। বন্ধুরা আমার খুব প্রিয় হলেও তাদের কাছ থেকে দূরে থাকি। মেয়েদের প্রতি আগ্রহ আছে, তবে আসক্তি নেই। বিছানা আমার খুব প্রিয়—তবে ঘুমানোর জন্য নয়। NASA, মার্কিন সিনেট, তালেবান, হামাস থেকে শুরু করে নক্ষত্র ও গ্রহাণুপুঞ্জেও চলে যাই এই বিছানায় শুয়ে। যখন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আবিষ্কার করি কোনো গ্রহ অথবা গাজাকে স্বাধীন করি ইসরাইলের হাত থেকে, তখন ঘুম এসে যায় চোখে।

অলস শব্দটা সম্ভবত আমার জন্যই। আমি খুব খেতে পছন্দ করি। যে খাবার জীবনেও দেখিনি, সেটাও খেতে আপত্তি করি না। প্রিয় স্বাদ ঝাল, অপছন্দ মিষ্টি। আমার কিন্তু ডায়াবেটিস নেই। ভালোবাসি বেঁচে থাকাটা, ভালো লাগে না ঢাকায় থাকাটা। ইচ্ছে করে একা একা হাঁটি, সমস্যা হল ঢাকার রাস্তায় জীবন এখন ঝুঁকির মধ্যে থাকে।

ভালো লাগে হালকা শীতে টেবিল ফ্যান চালিয়ে কাঁথা মুড়ি দিয়ে ঘুমাতে। বিরক্ত হই বাসে চড়তে। পছন্দের যানবাহন রিকশা, তবে খুব প্রয়োজন ছাড়া উঠি না (ভাড়া নিয়ে ঝামেলা হয়)। নতুন সবকিছু ভালো লাগে। ঘৃণা করি লোডশেডিং। বিশ্বাস করি বাবা-মাকে, পছন্দ করি ভাই-বোনদের। অবিশ্বাস করি "প্রেমিকা" শব্দটাকে। অবহেলা করি সময়কে। পড়াশোনা ভালো লাগে না। আর মৃত্যু আমাকে ভয় পাইয়ে দেয়।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জীবন যেমন হয়।

আমি জীবনকে জিগ্যেস করলাম “ তুমি এত কঠিন কেন...?? জীবন হাসল আর বলল “ তুমিতো সহজপ্রাপ্য জিনিস গুলো পছন্দ করোনা!!” আসলেই আমরা সহজে যা পাই তার প্রতি কেন যেন আকর্ষণ হারিয়ে ফেলি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

২০০০ সালের জানুয়ারী মাস। আমার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম দিন। জানুয়ারী মাসে তখন হাড় কাপানো শীত পড়ত। চাঁদপুর জোলার মতলব থানার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়। দিনক্ষন মনে নাই শুধু মনে আছে আমি ও আমার দুই কাজিন একসাথে গিয়েছিলাম ভর্তি হতে। যাহোক, যেদিন প্রথম ক্লাসে গেলাম সেদিন একটু দেরি করে ফেলেছিলাম। প্রথমে ইংরেজি ক্লাস ছিল। সংকর স্যার ছিলেন মাধ্যমিকের আমার প্রথম শিক্ষক। প্রথম প্রথম সব কিছুই অন্য রকম। সেদিন খুবই উপভোগ করেছিলাম। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এখানেই পড়াশোনা করি। সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্মৃতিময় অধ্যায়। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত আমি স্কুলের হোষ্টেলে থেকে পড়াশোনা করি। হোষ্টেল জীবনের কথা আমি জীবনেও ভুলতে পারবনা। খুব খুব মজার ছিল সেই সময় গুলো। এখন সেই সময়গুলো খুবই মিস করি।আমি ২০০৫ সালে বিঙ্জান বিভাগ থেকে এসএসসি পরিক্ষা দেই। আমরা যখন পরিক্ষা দেই তখন আমাদের সময়গুলো খুবই দারুন ছিল। হোষ্টেল থেকে রিক্সা অথবা ট্রলারে করে পরিক্ষা দিতে যেতাম। ওহ......... সেই দিনগুলো কি দারুন ছিল। আজ আবার সেই দিনগুলো ফিরে পেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। জানি তা ফির...

সহজে বলে দেয়া কতগুলো কঠিন কথা

আমার এখন আর কষ্ট হয় না তোমার জন্য। সত্যি বলছি বুকের ভেতর আর কোন দীর্ঘশ্বাস জন্ম নেয় না। কিন্তু জান খুব নিঃসঙ্গ মনে হয় নিজেকে। মাঝে মাঝে তোমাকে আমার মনে পড়ে। যখন মনে পড়ে আমার সময় কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায়। কিছু স্মৃতি আমার চোখের সামনে ভাসতে থাকে। এরপর আমি তোমাকে আর ভাবি না, ভাবতে পারি না। অথচ একদিন এমন ছিলাম না আমি, সারাক্ষণই তোমাকে ভাবতাম। আমার ঐ চরম মূহুর্তগুলোতে একমাত্র অনুভূতি ছিলে তুমি। আমি তোমাকে ভাবতে চাইতাম না, জোর করে ভুলে থাকতে চাইতাম তোমাকে। কিন্তু পারতাম না। ভুলে যাবার প্রচন্ড চেষ্টা করে যতই আমি নিজের ভেতরে যত প্রবেশ করি, ঘুরে ফিরে চলে আমি ঠিক চলে যেতাম তোমার কাছে। তোমাকে নিয়ে আমার চারপাশে একটা বৃত্ত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। আমি সেই বৃত্তের মাঝে ঘোরপাক খাচ্ছিলাম। শত চেষ্টা করেও আমি সেই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছিলাম না। অসংখ্য নির্ঘুম রাতে আমি ভেবেছি তোমার কথা, তোমার ফিক করে হেসে ফেলা হাসির শব্দের কথা, যে হাসির শব্দ আমাকে ভুলিয়ে দিত আমি বন্দী, আমি অসহায়। তোমাকে ভালবাসা অনেক বড় অপরাধ ছিল। আমি মেনে নিয়েছিলাম আমার ভাগ্য, যেমন করে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা প্রাণী মেনে নেয় ...