সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই ২২, ২০১১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বদলে যেতে চাই

গত কিছু দিন ধরে ভবিষ্যত নিয়ে খুব চিন্তিত। প্রোগ্রামার হওয়ার খুব ইচ্ছা। স্বিদ্বান্ত নিতে পারছি না। পিএইচপি, সি শার্প, নাকি জাভা দিয়ে শূরু করব। গত কয়েক দিন ধরে লিনাক্স ইউজ করার জন্য খুব প্রস্তুতি চলছে। মনটাও খুব ভালো নেই। মনে হচ্ছে গ্রহ চুত্য হয়ে যাচ্ছি। পড়াশোনা করতেও ইচ্ছে করতেছে না। গত কাল স্টিভ জবসের জীবনিটা পড়লাম। তিনি এপ্যালের প্রতিষ্টাতা। মাঝে মাঝে মনে হয় কোন এক মনিষি বা সফল কারো জীবণি বেছে নিয়ে তার মত হয়ে যাই। আবার ভাবি স্টিভ জবস ভার্সিটি ছেড়ে দিয়ে কত বড় এক ব্যাক্তিত্ব হয়ে গেলেন। সব ছেড়ে দিয়ে নিজের ভালবাসার কাজটি বেছে নেই। এই রকমও ভেবেছি অনেক বার। আমার আশে পাশে ইন্সপায়ারেশন দেওয়ার মত কেউ নেই। আমার ফ্রেন্ডরা কিছু বুঝে না বললেই চলে। সারাক্ষন শুধু গালফ্রেন্ডকে খুশি করার চিন্তায় ব্যাস্ত। তাদের সুখি জীবনে হয়ত ভবিষ্যত ভাবার কোন প্রয়োজনই দেখা দেয়নি। ওদেরতো অনেক ভালো অবস্থা। কিন্তু আমারত তেমন না। সুতরাং ওদের সাথে তাল মিলালে চলবে না। আমাকে আমার মত হতে হবে। আমাকে অবশ্যই অসাধারন হতে হবে। আবার ভাবি এক কষ্ট করে এত পড়াশোনা করে কি হবে। মৃত্যুতো ওৎ পেতে আছে। মরে গেলেতো সব শ...

সহজে বলে দেয়া কতগুলো কঠিন কথা

আমার এখন আর কষ্ট হয় না তোমার জন্য। সত্যি বলছি বুকের ভেতর আর কোন দীর্ঘশ্বাস জন্ম নেয় না। কিন্তু জান খুব নিঃসঙ্গ মনে হয় নিজেকে। মাঝে মাঝে তোমাকে আমার মনে পড়ে। যখন মনে পড়ে আমার সময় কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায়। কিছু স্মৃতি আমার চোখের সামনে ভাসতে থাকে। এরপর আমি তোমাকে আর ভাবি না, ভাবতে পারি না। অথচ একদিন এমন ছিলাম না আমি, সারাক্ষণই তোমাকে ভাবতাম। আমার ঐ চরম মূহুর্তগুলোতে একমাত্র অনুভূতি ছিলে তুমি। আমি তোমাকে ভাবতে চাইতাম না, জোর করে ভুলে থাকতে চাইতাম তোমাকে। কিন্তু পারতাম না। ভুলে যাবার প্রচন্ড চেষ্টা করে যতই আমি নিজের ভেতরে যত প্রবেশ করি, ঘুরে ফিরে চলে আমি ঠিক চলে যেতাম তোমার কাছে। তোমাকে নিয়ে আমার চারপাশে একটা বৃত্ত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। আমি সেই বৃত্তের মাঝে ঘোরপাক খাচ্ছিলাম। শত চেষ্টা করেও আমি সেই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছিলাম না। অসংখ্য নির্ঘুম রাতে আমি ভেবেছি তোমার কথা, তোমার ফিক করে হেসে ফেলা হাসির শব্দের কথা, যে হাসির শব্দ আমাকে ভুলিয়ে দিত আমি বন্দী, আমি অসহায়। তোমাকে ভালবাসা অনেক বড় অপরাধ ছিল। আমি মেনে নিয়েছিলাম আমার ভাগ্য, যেমন করে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা প্রাণী মেনে নেয় ...

অতঃপর বলার কিছুই থাকেনা

"ব্যাস্ততা আমাকে দেয়না অবসর”।সব কিছুই কেম যেন হয়ে যাচ্ছে। আমি জানি না আমার কি কাজ। আমি সময়গলো কাজে লাগাতে জানি না। ঘুমিয়ে আর নেট ব্রাউজিং করে আমার সময় কেটে যায়। প্রতিদিনই কিছু না কিছু কাজ আগামি দিনের জন্য রেখে দেই। আমি কোন কাজই সময়ে করতে পারি না। আমার অলসতার জন্য জীবনে অনেক কিছুই হারিয়েছি। সেটা বুঝতে পারি কিন্তু সেই সীমাবব্ধতা থেকে মুক্তি মিলেনা কিছুতেই। প্রতিদিন বদলে যাওয়ার শপথ নেই। আবার সব কিছু ভুলে সেই আগের মত হয়ে যাই। সেই কল্পনায় বন্যতা আর শরীরে অলসতা নিয়ে আবার ছুটে যাই ব্যর্থদের অনূসরন করতে। মাঝে মধ্যে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়। তখন চোখ বন্ধ করে দুই হাত বাড়িয়ে কারো অস্থিত্বের কল্পনা করি। না, কেই আসে না। আসার কথাও না। আসারতো নিয়মও নেই। সবাইতো ব্যার্থতাকে মাড়িয়ে যেতে চায়। কে কতটা পারে সেটা সে নিজেও জানে না। যখন দাড়ি পরার সময় এসে যায় তখন ভাবতে বসে শুরুর হিসাব। মিলে না সবার। কেউ আমার দলে চলে আসে আর কেউ সফল হয়।আমি খুজে দেখি আমার অতীত সঙ্গিরা কেমন আছে। আমিই আগের মত আছি বাকিরা হয় বদলে গেছে আথবা মরে গেছে। কিন্তু এই শ্রেনিতে কেউই আমাকে সঙ্ঘ দেওয়ার জন্য থাকে না...

মধুর যন্ত্রনা

আমি জানি সে আমার কথা বিশ্বাস করেনা । তবু যত্ন করে শাঁড়ি পরে। চুল বাঁধে ।...চোখে কাজল দিয়ে ছাদের রেলিং এর ধারে দাঁড়িয়ে থাকে । সে... অপেক্ষা করে । আমি কখনো যাই না । যাবার নিয়ম নেই । অর্থহীন ভালোবাসা আমাকে পিছু টানেনা । কারণ আমাকে তো আর দশটা সাধারন ছেলের মতো হলে চলবেনা । আমাকে হতে হবে অসাধারণ ।♥