সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2011 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আজ তোমায় মনে পরে গেল।

আমি আমার সাদা কালো ক্যানভাস এ শুধু রঙিন ছবি আকাঁর চেষ্টা করি... যতবার চেষ্টা করি;এই ভুলের বাস্তবতা তা নষ্ট করে দেয়...আমি আঁকা বন্ধ করে দিলাম... ক্যানভাস খালি পড়ে রইল...এরপর মনের সব ইচ্ছা, স্বপ্ন, ভালবাসা কবিতায় ভর্তি করলাম,তাও বাস্তবতা লিখতে দিলনা...আমি লেখা ছেড়ে দিলাম...অনেকদিন...অনেক মাস আমি পড়ে রইলাম ভাললাগা থেকে বহু দুরে...এরপর ও তোমাকে কাছের করে রাখা গেলনা...হয়ত কিছু ভালবাসা অনেক কিছু চাই... মাঝে মাঝে সব কিছু বিসর্জন দিয়েও ভালবাসাকে কাছের করে রাখা যায়না...........

জীবন যেমন হয়।

আমি জীবনকে জিগ্যেস করলাম “ তুমি এত কঠিন কেন...?? জীবন হাসল আর বলল “ তুমিতো সহজপ্রাপ্য জিনিস গুলো পছন্দ করোনা!!” আসলেই আমরা সহজে যা পাই তার প্রতি কেন যেন আকর্ষণ হারিয়ে ফেলি

আজ: ১১.১১.১১ এবং আমার ঈদ-উল-আযহা।

বিংশ শতাব্দির একটি সাজানো সংখার তারিখ, ১১ নভেম্বর, ২০১১। ফেসবুক এবং ব্লগে সূখি মানুষরা এটা নিয় চরম মাতামাতি করছে। খুশি হওয়ার দিনই বলা চলে। একশত বছর পরপর এইরকম একটা তারিখ আসে। মাত্র তিন দিন হল ঈদ-উল-আযহার। ০৭.১১.২০১১ ছিল পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। আমার মনে আছে ছোটবেলার কোন এক ঈদে চার টাকা পেয়ে নাচতে নাচতে ঈদগাহে চলে গিয়েছিলাম। মিস করি সেই দিনগুলোকে। চরম ভাবে মিস করি। ১৯৮৮ সালে আমার জন্মের পর ২০০৭ সাল পর্যন্ত আমার সময়গুলো ভালোই কেটেছে। না, না, শুধু ভালো না অন্নেক ভালো কেটেছে। আমার যতটুকু মনে আছে ২০০৪-২০০৭ সালের ঈদ গুলো আমার বেশী ভালো কেটেছে। কিন্তু তার পরবর্তি একটা ঈদও অন্যসাধারন দিনের চেয়ে তেমন আলাদা মনে হয়নি। বরং ঝামেলা পূর্নই ছিল। সর্বশেষ ২০১১ এর ঈদটা বেশী খারাপ কেটেছে। একটুও ভালো লাগেনি। অন্যান্য ঈদে সকালে ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়ি এবার তা করা হয়নি। সকাল সাড়ে আটটায় ঘুমথেকে উঠে গোছল করে ঈদের নামাজ পড়তে চলে গেলাম মা, দাদি আর আন্টিকে সালাম করে। নামাজ শেষে গরু কাটাকাটি করলাম। এটা অবশ্য একটু ভালো লেগেছিল। তারপর আমার প্রতিদিনের সঙ্গি রকিবের সাথে আড্ডা এবং ব্যাডমিন্টন খেলে রাত বারে...

কত পথ রয়েছে বাকি

সূর্য হেলে পশ্চিমে দোলে। বয়স আমার দুপুর ছুইছুই। কিন্তু আমার দেখা হয়নি কিছুই। সুণিলের মত বলতে গেলে সেই রায়ের গুলি, সেই লাঠি লজেন্স আমায় কেউ ফিরিয়ে দেবেনা। সফলদের দেখলে খুবই ভালো লাগে কিন্তু ব্যার্থতার ঘোলাটে আলোয় আমি হারিয়েছি পথ। ফিরে আসার চরম ইচ্ছে আছে কিন্তু মহাকর্ষ বলের মত কিছু একটা সবসময় আকর্ষন করে আছে। আমার আর ফেরা হয়না। উপরের লাইনগুলো খুব কঠিন করে লেখা। যেহেতু আমাকে নিয়ে নজরুল কিংবা রবীন্দ্রনাথের মত গবেষনা হবে না তাই নিজেই সহজ করে দিচ্ছি।....... আমার আজ বলতে দ্বিধা নাই। আমি খুব পিছনের সারির মানুষ। সফলতা সবার জন্য সোনার হরিণ কিন্তু আমার জন্য মরিচিকা। চেষ্টা না করে কিংবা অনেক চেষ্টা করেও কখনো সফল হতে পারি নাই। সমস্যাটা আমার খুব বেশি প্রকট। স্বিদ্ধান্ত বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ যা আমাকে দিয়ে হয়না। কচ্ছপরা দৌড়ে জিতে কারন সে বদ্ধ পরি কর। কচ্ছপে আরকটা স্বভাবের কথা বলি... কচ্ছপ কাউকে কামর দিয়ে মুখ ও মাথা তার খোলসের মধ্যে ডুকিয়ে নেয়। তারপর বাইরে থেকে যতই চেষ্টা করুন কোন লাভ নাই সে তার মাথা বের করবেনা। আমাকেও কচ্ছপের মত হতে হবে। আমার কাজগুলো নিয়ে এই রকম হতে হবে। আর ভাল লা...

ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে — স্টিভ জবস

বক্তৃতাটি হয়ত অনেকেই বিভিন্ন এর আগে পড়েছেন। ২০০৫ সালে তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত হন। ঐ অনুষ্ঠানে তার দেয়া বক্তৃতাটি ছিলো অসাধারণ একটি বক্তৃতা। পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি। আমি কখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করিনি। সত্যি কথা বলতে কি, আজকেই আমি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান সবচেয়ে কাছ থেকে দেখছি। আজ আমি তোমাদেরকে আমার জীবনের তিনটি গল্প বলবো। তেমন আহামরী কিছু না। শুধু তিনটা গল্প। প্রথম গল্পটি কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা এক সূতোয় বাঁধা নিয়ে রিড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার ছয় মাসের মাথায় আমি মোটামুটি পড়ালেখা ছেড়ে দিই। অবশ্য পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেয়ার আগে প্রায় বছর দেড়েক এটা সেটা কোর্স নিয়ে কোনমতে লেগেছিলাম। তো কেন আমি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়েছিলাম? ঘটনার শুরু আমার জন্মের আগে থেকে। আমার আসল মা ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অবিবাহিতা তরুণী গ্রাজুয়েট ছাত্রী। আমার জন্মের আগে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন আমাকে কারো কাছে দত্তক দিবেন। মা খুব চাচ্ছিলে...

আমার ২৩তম জন্মদিন.....

২৪ শে আগাষ্ট আমার ২৩ তম জন্মদিন চলে গেল। হাটি হাটি পা পা করে ২২টি বছর পার করে দিলাম।২৩ তম জন্মদিনটি বেশ অন্য রকম ছিল। কিছু দিন ধরে খুব খারাপ সময় কাটতে ছিল। তাই এই দিনটায় বাসা থেকে বের হইনি। তবে ফেসবুক, টেক্সট, ফোন এবং ইমেইলে অনেকে উইশ করেছে। এবারই এত বেশী উইশ পেয়েছি। খুব ভালো লেগেছিল। কিছু কিছু মানুষের সাথে কথা বলে মন খুব ভাল হয়ে গিয়েছিল। 

আমাকে নিয়ে কিছু কথা

আমি খুবই সাধারন একজন মানুষ। নিজেকে হারিয়ে ফেলি সব সময়। আমি সত্যিই কিছু বুঝিনা। এখনো জুতোর ফিতে বাধতে পারিনা। বাজারে গেলে বুঝতে পারিনা কি কিনব। ভার্সিটি যাওয়ার সময় প্রতিদিন ভাবতে হয় আজ কোন বাসে যাব। আমি স্বিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আমার মনে হয় সবাই আমাকে অপছন্দ করে। মনেমনে অজানা আশঙ্কা সবসময় লেগেই থাকে। নিজের প্রতি একটুও বিশ্বাস খুজে পাই না। তবুও বড় হবার প্রবল  একটা ইচ্ছা আছে। আমার নাম মো: আল আমিন। জীবনে অনেক জায়গায় অনেক নাম ইউজ করেছি। কিন্তু এটাই আমার আসল নাম। মতলব উত্তর উপজেলার চাঁদপুরে আমার জন্ম। আমার ফেসবুক প্রফাইলেন জন্য ক্লিক করুন   আমার গুগল প্লাস প্রফাইলেন জন্য ক্লিক করন

দাড়ি পরে যায় প্রতিটা গল্পের শুরুতে।।।।।।

মানুষের সব দিন সমান বা একই ভাবে কাটে না। কখনো ভাল কখনো বা খুবই খারাপ। আমি জানি সব সময় ভালো দিন কাটে না। আমার ও তেমনি। তবে বেশির ভাগই আমি খারাপ সময়ই কাটাই। মানুষের জীবন থেকে যদি কিছু সময় মুছে ফেলা যেত তবে আমি আমার গত তিনটা বছর মুছে দিতাম। তারপর সাথে সাথেই রিসাইকেল বিনটাও এম্পটি করে দিতাম। অথবা সিফ্ট ডিলেট। কারন গত তিন বছর আমার সবচেয়ে খারাপ কেটেছে। সেগুলো ভুলে নতুন করে আবার শুন্য থেকে শুরু করতাম। এখনো মাঝে মাঝে মনে হয় নিজেকে ঢেলে সাজাই। কিন্তু শুরু করার আগেই আবার থমকে যাই। পিছুটানের ব্যাপারে আমি খুবই অগ্রমুখি। সবসময় অতীত নিয়ে চিন্তা করি। সত্যিই অতীত মানুষের পিছু ছাড়ে না। আমি বাক্সে বন্ধি হয়ে গেছি। বের হওয়া আর হল না। তবে আমি ফিরতে চাই। হতে চাই অসাধারন। আমাকে আবার নিজেকে নিয়ে ভাবতে হবে। আমি আজই শুরু করতে চাই। আমি জানি আমি পারব। তবুও হতাশ হই। আমি চেয়ে চেয়ে দেখি দাড়ি পরে যায় প্রতিটা গল্পের শুরুতে।

বদলে যেতে চাই

গত কিছু দিন ধরে ভবিষ্যত নিয়ে খুব চিন্তিত। প্রোগ্রামার হওয়ার খুব ইচ্ছা। স্বিদ্বান্ত নিতে পারছি না। পিএইচপি, সি শার্প, নাকি জাভা দিয়ে শূরু করব। গত কয়েক দিন ধরে লিনাক্স ইউজ করার জন্য খুব প্রস্তুতি চলছে। মনটাও খুব ভালো নেই। মনে হচ্ছে গ্রহ চুত্য হয়ে যাচ্ছি। পড়াশোনা করতেও ইচ্ছে করতেছে না। গত কাল স্টিভ জবসের জীবনিটা পড়লাম। তিনি এপ্যালের প্রতিষ্টাতা। মাঝে মাঝে মনে হয় কোন এক মনিষি বা সফল কারো জীবণি বেছে নিয়ে তার মত হয়ে যাই। আবার ভাবি স্টিভ জবস ভার্সিটি ছেড়ে দিয়ে কত বড় এক ব্যাক্তিত্ব হয়ে গেলেন। সব ছেড়ে দিয়ে নিজের ভালবাসার কাজটি বেছে নেই। এই রকমও ভেবেছি অনেক বার। আমার আশে পাশে ইন্সপায়ারেশন দেওয়ার মত কেউ নেই। আমার ফ্রেন্ডরা কিছু বুঝে না বললেই চলে। সারাক্ষন শুধু গালফ্রেন্ডকে খুশি করার চিন্তায় ব্যাস্ত। তাদের সুখি জীবনে হয়ত ভবিষ্যত ভাবার কোন প্রয়োজনই দেখা দেয়নি। ওদেরতো অনেক ভালো অবস্থা। কিন্তু আমারত তেমন না। সুতরাং ওদের সাথে তাল মিলালে চলবে না। আমাকে আমার মত হতে হবে। আমাকে অবশ্যই অসাধারন হতে হবে। আবার ভাবি এক কষ্ট করে এত পড়াশোনা করে কি হবে। মৃত্যুতো ওৎ পেতে আছে। মরে গেলেতো সব শ...

সহজে বলে দেয়া কতগুলো কঠিন কথা

আমার এখন আর কষ্ট হয় না তোমার জন্য। সত্যি বলছি বুকের ভেতর আর কোন দীর্ঘশ্বাস জন্ম নেয় না। কিন্তু জান খুব নিঃসঙ্গ মনে হয় নিজেকে। মাঝে মাঝে তোমাকে আমার মনে পড়ে। যখন মনে পড়ে আমার সময় কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায়। কিছু স্মৃতি আমার চোখের সামনে ভাসতে থাকে। এরপর আমি তোমাকে আর ভাবি না, ভাবতে পারি না। অথচ একদিন এমন ছিলাম না আমি, সারাক্ষণই তোমাকে ভাবতাম। আমার ঐ চরম মূহুর্তগুলোতে একমাত্র অনুভূতি ছিলে তুমি। আমি তোমাকে ভাবতে চাইতাম না, জোর করে ভুলে থাকতে চাইতাম তোমাকে। কিন্তু পারতাম না। ভুলে যাবার প্রচন্ড চেষ্টা করে যতই আমি নিজের ভেতরে যত প্রবেশ করি, ঘুরে ফিরে চলে আমি ঠিক চলে যেতাম তোমার কাছে। তোমাকে নিয়ে আমার চারপাশে একটা বৃত্ত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। আমি সেই বৃত্তের মাঝে ঘোরপাক খাচ্ছিলাম। শত চেষ্টা করেও আমি সেই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছিলাম না। অসংখ্য নির্ঘুম রাতে আমি ভেবেছি তোমার কথা, তোমার ফিক করে হেসে ফেলা হাসির শব্দের কথা, যে হাসির শব্দ আমাকে ভুলিয়ে দিত আমি বন্দী, আমি অসহায়। তোমাকে ভালবাসা অনেক বড় অপরাধ ছিল। আমি মেনে নিয়েছিলাম আমার ভাগ্য, যেমন করে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা প্রাণী মেনে নেয় ...

অতঃপর বলার কিছুই থাকেনা

"ব্যাস্ততা আমাকে দেয়না অবসর”।সব কিছুই কেম যেন হয়ে যাচ্ছে। আমি জানি না আমার কি কাজ। আমি সময়গলো কাজে লাগাতে জানি না। ঘুমিয়ে আর নেট ব্রাউজিং করে আমার সময় কেটে যায়। প্রতিদিনই কিছু না কিছু কাজ আগামি দিনের জন্য রেখে দেই। আমি কোন কাজই সময়ে করতে পারি না। আমার অলসতার জন্য জীবনে অনেক কিছুই হারিয়েছি। সেটা বুঝতে পারি কিন্তু সেই সীমাবব্ধতা থেকে মুক্তি মিলেনা কিছুতেই। প্রতিদিন বদলে যাওয়ার শপথ নেই। আবার সব কিছু ভুলে সেই আগের মত হয়ে যাই। সেই কল্পনায় বন্যতা আর শরীরে অলসতা নিয়ে আবার ছুটে যাই ব্যর্থদের অনূসরন করতে। মাঝে মধ্যে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়। তখন চোখ বন্ধ করে দুই হাত বাড়িয়ে কারো অস্থিত্বের কল্পনা করি। না, কেই আসে না। আসার কথাও না। আসারতো নিয়মও নেই। সবাইতো ব্যার্থতাকে মাড়িয়ে যেতে চায়। কে কতটা পারে সেটা সে নিজেও জানে না। যখন দাড়ি পরার সময় এসে যায় তখন ভাবতে বসে শুরুর হিসাব। মিলে না সবার। কেউ আমার দলে চলে আসে আর কেউ সফল হয়।আমি খুজে দেখি আমার অতীত সঙ্গিরা কেমন আছে। আমিই আগের মত আছি বাকিরা হয় বদলে গেছে আথবা মরে গেছে। কিন্তু এই শ্রেনিতে কেউই আমাকে সঙ্ঘ দেওয়ার জন্য থাকে না...

মধুর যন্ত্রনা

আমি জানি সে আমার কথা বিশ্বাস করেনা । তবু যত্ন করে শাঁড়ি পরে। চুল বাঁধে ।...চোখে কাজল দিয়ে ছাদের রেলিং এর ধারে দাঁড়িয়ে থাকে । সে... অপেক্ষা করে । আমি কখনো যাই না । যাবার নিয়ম নেই । অর্থহীন ভালোবাসা আমাকে পিছু টানেনা । কারণ আমাকে তো আর দশটা সাধারন ছেলের মতো হলে চলবেনা । আমাকে হতে হবে অসাধারণ ।♥

নির্জন বিষন্নতা

আমি খুবই অস্থির একজন মানুষ। সারাক্ষন স্বিদ্ধান্তহীনতায় ভূগি। সবসময় হতাশা লেগেই আছে। আমি মাঝেমাঝে ইনসিকিউর ফিল করি। আমার কোন ডেস্টিনেশন নাই। সময় চলে যাচ্ছে প্রতিদিনের মত আজও। খুব খারাপ একটা দিন পার করলাম। আমার আলসেমিটা বোধ হয় কখনোই যাবে না। আমি সময়ের মূল্য দিতে পারছিনা। মানুষের সময়গলো নাকি অনেক মূল্যবান, কই…? আমি তো বেঁচে আছি এখনো আমার সময়েরতো মূল্য খুজে পাচ্ছিনা। আমার প্রতিটা দিন একই রকম কাটে। সকালে যখন ঘুম থেকে উঠি দেখি সূর্য উঠেছে। তখন মনে পরে আজ কেটে যাচ্ছে আরেকটা দিন। সূর্যাস্তের পর কখনো মনে পরে না আজ কোন নতুন কিছু পেয়েছি কিনা। এমন কি কষ্টগুলোও সেই আদিম আর বন্য। এভাবেই কাটিয়ে দেই আমার সময়গুলো। তবে মাঝে মাঝে নিজেকে খুব সুখি মনে হয়। ভেসে যেতে ইচ্ছে করে সমুদ্রে অথবা নিলিমায়। আমার হারিয়ে যেতে খুব ইচ্ছে হয়। আবার কখনো ইচ্ছে হয় সিনবাদের মত জাহাজের পাল উরিয়ে দেই। আমার বাস্তবতা আমাকে ফাঁকি দিলেও স্বপ্নগুলো আমাকে সারাক্ষন সঙ্গদেয়। আর আমি এভাবেই আনন্দ পাই প্রত্যেকটা সময়।

আমার প্রিয় গান ও লিরিক

আমি গান শুনতে খুব পছন্দ করি। হাবিব, তাহসান, তপু আরও অনেকের গানই শুনি। হিন্দি গানও আমার খুব পছন্দ। যা হোক আমার প্রিয় গানটি হলFive Hundred Miles -by The Brothers Four youtube link  এর জন্য ক্লিক করুন   গানটির লিরিক:  If you miss the train I'm on, You will know that I am gone,   You can hear the whistle blow a hundred miles. A hundred miles, a hundred miles, A hundred miles, a hundred miles, you can hear the whistle blow a hundred miles. Lord, I'm one, Lord, I'm two, Lord,I'm three, Lord, I'm four, Lord,I'm five hundred miles a way from home. Away from home, away from home, Away from home, away from home, Lord, I'm five hundred miles away from home. Not a shirt on my back, Not a penny to my name. Lord, I can't go back home this-a way. This-a way, this-a way,This-a way, this-a way, Lord, I can't go back home this-a way. If you miss the train I'm on, You will know that I am gone, You can hear the whistle blow a hundred miles. A hundred miles, a hund...

কিছু ভাল লাগার জিনিস

প্রিয় বই  - নৌকা ডুবি-> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ( নৌকাডুবি তিন বার পরেছি। আরও অনেক বার পরার ইচ্ছে আছে। যারা বই পরাকে ভালবাসেন তারা একবার পরে দেখবেন। অসাধারন একটা উপন্যাস)  -গড ফাদার-> মারিও পুজো ( কি বলব বিশাল এক বই। যত বার পরি ভাল লাগে। এই বইয়ের মাধ্যমে ইংরেজী লেখকদের বই পড়া শুরু। আমি জীবনেও এই বইয়ের কথা ভুলতে পারবনা। দারুন ওকটা বই।  -লা মিসারেবল->ভিক্টর হুগো ( টাচিং একটা বই। অসাধারন। যত বার পড়ি কষ্ট পাই)   প্রিয় লেখক  - শরৎ চন্দ্র চট্রোপধ্যায়  -কাজী নজরুল ইসলাম  -হুমায়ুন আহমেদ  অবসরে যা ভাললাগে  -নেট ব্রাউজ  -ঘুম  -ভ্রমন  প্রিয় খেলা  -ক্রিকেট। ( অন্য কোন খেলাকে ক্রিকেটের ১০০০ ভাগের একভাগও ভাল লাগে না)  প্রিয় দল  -বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম  -ইংল্যান্ড ক্রিকেট টিম  -ব্রাজিল ও পর্তুগাল ফুটবল টিম  -ফুটবল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ  প্রিয় খেলোয়ার  -ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো  -কেভিন পিটারসেন  -ডেনিয়েল ভেটরি  -রিকার্ডো কাকা  প্রিয় মুভি  -টাইটানিক ( যতবার দেখি প্রতিব...

কলেজের সংক্ষিপ্ত সময় ( এইচএসসি )

মুন্সি আজিম উদ্দিন কলেজেভর্তি হই ২০০৫ সালে। কলেজে খুব বেশী মজার স্মৃতি নেই। তবে কলেজের হোষ্টেলজীবনটা আজও মিস করি। বিশেষ করে স্যার যখন ঘুমিয়ে পড়ত তখন আমরা ছাদেআড্ডা দিতাম আর মাঝেমাঝে কার্ড খেলতাম। এনামুল , নুরে আলম , মাসুদ পারভেজ , কাউসার আমার খুব কাছের বন্ধু ছিল। ওদের সাথে এখনতেমন যোগাযোগ হয় না। আরআমার প্রিয় শিক্ষকের নাম আল আমিন। স্যার আমাকে খুব ভালবাসত আমিও। ওখনোস্যারের সাথে মাঝে মাঝে যোগাযোগ হয়। ২০০৭ সালে আমি এইচএসসিপরিক্ষাদেই।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

২০০০ সালের জানুয়ারী মাস। আমার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম দিন। জানুয়ারী মাসে তখন হাড় কাপানো শীত পড়ত। চাঁদপুর জোলার মতলব থানার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়। দিনক্ষন মনে নাই শুধু মনে আছে আমি ও আমার দুই কাজিন একসাথে গিয়েছিলাম ভর্তি হতে। যাহোক, যেদিন প্রথম ক্লাসে গেলাম সেদিন একটু দেরি করে ফেলেছিলাম। প্রথমে ইংরেজি ক্লাস ছিল। সংকর স্যার ছিলেন মাধ্যমিকের আমার প্রথম শিক্ষক। প্রথম প্রথম সব কিছুই অন্য রকম। সেদিন খুবই উপভোগ করেছিলাম। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এখানেই পড়াশোনা করি। সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্মৃতিময় অধ্যায়। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত আমি স্কুলের হোষ্টেলে থেকে পড়াশোনা করি। হোষ্টেল জীবনের কথা আমি জীবনেও ভুলতে পারবনা। খুব খুব মজার ছিল সেই সময় গুলো। এখন সেই সময়গুলো খুবই মিস করি।আমি ২০০৫ সালে বিঙ্জান বিভাগ থেকে এসএসসি পরিক্ষা দেই। আমরা যখন পরিক্ষা দেই তখন আমাদের সময়গুলো খুবই দারুন ছিল। হোষ্টেল থেকে রিক্সা অথবা ট্রলারে করে পরিক্ষা দিতে যেতাম। ওহ......... সেই দিনগুলো কি দারুন ছিল। আজ আবার সেই দিনগুলো ফিরে পেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। জানি তা ফির...

প্রাথমিক বিদ্যালয়

খুব ছোটবেলার কথা তেমন একটা মনে নাই। ১৯৯৬ সালে আমি প্রখম বারের মত পড়াশোনার উদ্দ্যেশ্যে স্কুলে যাওয়া শুরু করি। এনায়েত নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এখানে এক বছরের মত পড়াশোনা করি। প্রথম শ্রেনী এখানেই শেষ করি। দ্বিতীয় শ্রেনীতে আর পড়া হয়নি। সরাসরি তৃতীয় শ্রেনীতে ভর্তি হই রসুলপুর কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তখন ১৯৯৭ সাল। ১৯৯৯ সাল অর্থাৎ পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করি। রসুলপুর কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমার বেশ কয়েক জন বন্ধু ছিল। তাদের মাঝে যাদের কথা খুব মনে পরে: হেলাল, রাসেল,ইসরাফিল, ফয়সাল, আলো, রাজিব আরো অনেক। ওদের সাথে এখন অনেক কম যোগাযোগ হয়। আসলে সবাই নিজেকে নিয়ে খুব ব্যস্ত খাকে। হয়তো কাজ ও পড়াশোনার জন্য সময় বের করা যায় না বলেই এমন হয়।আমি খুব নষ্টালজিক। আমি ওদের অনেক অনেক মিস করি। আর অনেক ভালবাসি।এটা খুব ছোট একটা স্কুল ছিল। দুই জন শিক্ষক ও দুই জন শিক্ষিকা ছিলেন। হুমায়ুন কবির মিন্টু স্যার, বাবুল স্যার, ফাহমিদা ম্যাডাম, আরেক জন ম্যাডামের নাম মনে নাই। যখন গ্রমে যাই স্যারদের সাথে দেখা হয়। আমি স্যারদেরকে খুব ভালবাসি। আমার একটা ভাল গুন আছে। আমি এখন পর্যন্ত যত...

সেই দিন দেখা হয়েছিল

আমার এক বন্ধু ,  আমরা মাধ্যমিকেএকসাথে পড়তাম। আজ অনেক দিন পর সে আমাকে জিঙ্গেস করল আমিকেমন আছি। তাকে বলতে পারিনাই সবাইতো ভাল থাকতে পারেনা। কেমন যেন বিরক্তিকর লাগলআজ। একটু আবেগও কাজ করলনা। সত্যি আমি আর নেই সে আমি। যাহোক ,  তার একটা বাচ্চাহয়েছে। এখন সে পুরো দস্তুর গৃহিনি। তাকে বললাম স্রোতে বাসিয়ে দিয়েছি নিজেকে।কোন ডেসটিনেশন নাই। তবে একটা প্রবল চাওয়া আছে ,  যেন ভাল থাকি সবসময়।

আমার ব্যর্থ আত্ম-সম্মোহন

এখন প্রায়ই মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়। গলাটা যেন শুকনো কাঠ হয়ে যায় তবুও যেন পিপাসা পায় না। টেবিল থেকে হাত বাড়িয়ে পানির গ্লাসটা উঠিয়ে নেই। বিছানায় বারবার পাশ ফিরতে ইচ্ছে করে না। বেলকনিতে দাড়িয়ে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে চাঁদের দিকে। মাঝে মধ্য চাঁদটা আমায় ফাঁকি দিয়ে লুকিয়ে পরে দূরের দেবদাড়ু গাছের আরালে। আমার দীর্ঘক্ষনের নরবতা ভাঙ্গে রাত জাগা কোন পাখির ডানা ঝাপটানিতে। মাঝেমাঝে সন্ধ্যারাতে সোডিয়াম লাইটের আলোয় রাস্তায় হাটি। আশেপাশে তাকিয়ে দেখি, আমার মত মন খারাপ করা আর কোন মানুষ আছে কিনা। আশ্চর্য!!! সবাই কত ব্যস্ত। একাই আমি আবার হেটে চলি অজানার উদ্দ্যেশ্যে।কখনো রেললাইনের পথ ধরে হেটে চলি চারু কলা কিংবা বদ্ধ্যভুমিতে। শহীদ মিনারের পাশ দিয়েও হেটে চলি একাকি। আর মনেমনে প্রতিঙ্ঘা করি ওই অহংকারি মেয়েটির জন্য আমি আর মন খারাপ করে থাকবনা। আজ থেকে আমার কোন কষ্ট নেই। আমি আর কোন কষ্ট পাব না।ব্যর্থ হয় আমার আত্ম-সম্মোহন। একরাশ না পাওয়ার কষ্টে আচ্ছন্ন হয় আমার অনিয়ত্রিত মনটা। আমি আবার ভাবতে থাকি। গড়তে থাকি আরেকটা সপ্ন। অতঃপর আবার মন খারাপ করে থাকি।

আমার প্রিয় ভুলগুলো।

আমার ব্যাক্তিগত জীবনে ভূলের হিসাব করতে গেলে আমি নেহাত বিপদেই পরে যাব। মাঝে মাঝে মনে হয় আমি যা করেছি তার বেশীর ভাগই ভুল। কখনো কখনো মনে হয় যদি আবার শুন্য থেকে শুরু করতে পারতাম। তবে আর একটাও বাজে কবিতা লিখতাম না, ঘুমিয়ে সময় নষ্ট করতাম না এক বিন্দুও….সবার সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলতাম। আমি কিন্তু রাগিনা, তবে ভীষন অভিমানি। আশেপাশের সবার উপর আমার আমার অভিমান হয়। তবে কাউকে বুজতে দেইনা। নিজের কষ্টকে নিজের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখি। তবে আমি কিন্তু দুঃখিনা দারুন সূখি মানুষ। যখন ছোটখাটো ব্যাপারে মন খারাপ হয় তখন অভীমান দানা বাঁধে। তখন ভাবতে বসি আথবা লিখতে। নিজের কষ্টগুলোকে অনুবাদ করি কবিতার ভাষায়। আথবা গিটারের টুংটাং শব্দে দূরের মেঘের আরালে হারিয়ে যায় আমার বিষন্নতা।সব সময়ই আমার মনে হয় আমি কিছুই পারি না। মনে হয় কেন যে আগে থেকে সব কিছু শিখে রাখলাম না। তাহলে আর এত ব্যর্থ সময় পার করতে হত না। তাই সবার প্রতি আমার অনুরোধ আগে থেকে সব কিছু শিখে রাখবেন।

আমি কেন যেন এই রকমই

আমার পরিচয় বলতে এতটুকুই, সবই আমাকে আল আমিন বল ডাকে। এটাই আমার নাম। আমি গল্প করতে, পড়তে ও লিখতে ভালবাসি। মাঝেমধ্যে কবিতাও লেখি। আমার বেশীর ভাগ সময় কাটে দুঃশ্চিন্তা করে। মনেমনে তাজমহল ও বানাই। আবার আফগানিস্তান স্বাধীনও করি। আমি খুব কল্পনা বিলাসী। মাথার মধ্যে সবসময় বিভিন্ন চিন্তা গুরপাক খায়। অবসরে গান শুনি, নেট ব্রাউজ করি, চেটিং করি, মাঝে মাঝে ঘুরতে রের হই। আর সমুদ্র আমার খুব প্রিয়। বিকেল বেলা নদীর ধারে একলা বসে থাকতে ভাল লাগে। বন্ধুরা আমার খুব প্রিয় হলও আমি তাদের কাছ থেকে দুরে থাকি। আমি খুবই অন্তর্মুখি। কখনো আবার বেশী কথাও বলি। সাধারনত উপযাচক হয়ে কথা বলি না। বেশীর ভাগ সময় বাসায় কাটাই। চা, সিঙ্গারা, ঝাল মুড়ি ও চানাচুর খুব প্রিয়। মাঝে মাঝে রান্না করতেও ভাল লাগে। আর কী বলব। আই হেট লাভ স্টোরিস। মেয়েদের প্রতি আগ্রহ আছে কিন্তু আসক্তি নাই। aND tHAT'S iT.