সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

কত পথ রয়েছে বাকি

সূর্য হেলে পশ্চিমে দোলে। বয়স আমার দুপুর ছুইছুই। কিন্তু আমার দেখা হয়নি কিছুই। সুণিলের মত বলতে গেলে সেই রায়ের গুলি, সেই লাঠি লজেন্স আমায় কেউ ফিরিয়ে দেবেনা। সফলদের দেখলে খুবই ভালো লাগে কিন্তু ব্যার্থতার ঘোলাটে আলোয় আমি হারিয়েছি পথ। ফিরে আসার চরম ইচ্ছে আছে কিন্তু মহাকর্ষ বলের মত কিছু একটা সবসময় আকর্ষন করে আছে। আমার আর ফেরা হয়না। উপরের লাইনগুলো খুব কঠিন করে লেখা। যেহেতু আমাকে নিয়ে নজরুল কিংবা রবীন্দ্রনাথের মত গবেষনা হবে না তাই নিজেই সহজ করে দিচ্ছি।....... আমার আজ বলতে দ্বিধা নাই। আমি খুব পিছনের সারির মানুষ। সফলতা সবার জন্য সোনার হরিণ কিন্তু আমার জন্য মরিচিকা। চেষ্টা না করে কিংবা অনেক চেষ্টা করেও কখনো সফল হতে পারি নাই। সমস্যাটা আমার খুব বেশি প্রকট। স্বিদ্ধান্ত বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ যা আমাকে দিয়ে হয়না। কচ্ছপরা দৌড়ে জিতে কারন সে বদ্ধ পরি কর। কচ্ছপে আরকটা স্বভাবের কথা বলি... কচ্ছপ কাউকে কামর দিয়ে মুখ ও মাথা তার খোলসের মধ্যে ডুকিয়ে নেয়। তারপর বাইরে থেকে যতই চেষ্টা করুন কোন লাভ নাই সে তার মাথা বের করবেনা। আমাকেও কচ্ছপের মত হতে হবে। আমার কাজগুলো নিয়ে এই রকম হতে হবে। আর ভাল লা...

ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে — স্টিভ জবস

বক্তৃতাটি হয়ত অনেকেই বিভিন্ন এর আগে পড়েছেন। ২০০৫ সালে তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত হন। ঐ অনুষ্ঠানে তার দেয়া বক্তৃতাটি ছিলো অসাধারণ একটি বক্তৃতা। পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি খুবই সম্মানিত বোধ করছি। আমি কখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করিনি। সত্যি কথা বলতে কি, আজকেই আমি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান সবচেয়ে কাছ থেকে দেখছি। আজ আমি তোমাদেরকে আমার জীবনের তিনটি গল্প বলবো। তেমন আহামরী কিছু না। শুধু তিনটা গল্প। প্রথম গল্পটি কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা এক সূতোয় বাঁধা নিয়ে রিড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার ছয় মাসের মাথায় আমি মোটামুটি পড়ালেখা ছেড়ে দিই। অবশ্য পুরোপুরি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেয়ার আগে প্রায় বছর দেড়েক এটা সেটা কোর্স নিয়ে কোনমতে লেগেছিলাম। তো কেন আমি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দিয়েছিলাম? ঘটনার শুরু আমার জন্মের আগে থেকে। আমার আসল মা ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অবিবাহিতা তরুণী গ্রাজুয়েট ছাত্রী। আমার জন্মের আগে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন আমাকে কারো কাছে দত্তক দিবেন। মা খুব চাচ্ছিলে...

আমার ২৩তম জন্মদিন.....

২৪ শে আগাষ্ট আমার ২৩ তম জন্মদিন চলে গেল। হাটি হাটি পা পা করে ২২টি বছর পার করে দিলাম।২৩ তম জন্মদিনটি বেশ অন্য রকম ছিল। কিছু দিন ধরে খুব খারাপ সময় কাটতে ছিল। তাই এই দিনটায় বাসা থেকে বের হইনি। তবে ফেসবুক, টেক্সট, ফোন এবং ইমেইলে অনেকে উইশ করেছে। এবারই এত বেশী উইশ পেয়েছি। খুব ভালো লেগেছিল। কিছু কিছু মানুষের সাথে কথা বলে মন খুব ভাল হয়ে গিয়েছিল। 

আমাকে নিয়ে কিছু কথা

আমি খুবই সাধারন একজন মানুষ। নিজেকে হারিয়ে ফেলি সব সময়। আমি সত্যিই কিছু বুঝিনা। এখনো জুতোর ফিতে বাধতে পারিনা। বাজারে গেলে বুঝতে পারিনা কি কিনব। ভার্সিটি যাওয়ার সময় প্রতিদিন ভাবতে হয় আজ কোন বাসে যাব। আমি স্বিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আমার মনে হয় সবাই আমাকে অপছন্দ করে। মনেমনে অজানা আশঙ্কা সবসময় লেগেই থাকে। নিজের প্রতি একটুও বিশ্বাস খুজে পাই না। তবুও বড় হবার প্রবল  একটা ইচ্ছা আছে। আমার নাম মো: আল আমিন। জীবনে অনেক জায়গায় অনেক নাম ইউজ করেছি। কিন্তু এটাই আমার আসল নাম। মতলব উত্তর উপজেলার চাঁদপুরে আমার জন্ম। আমার ফেসবুক প্রফাইলেন জন্য ক্লিক করুন   আমার গুগল প্লাস প্রফাইলেন জন্য ক্লিক করন

দাড়ি পরে যায় প্রতিটা গল্পের শুরুতে।।।।।।

মানুষের সব দিন সমান বা একই ভাবে কাটে না। কখনো ভাল কখনো বা খুবই খারাপ। আমি জানি সব সময় ভালো দিন কাটে না। আমার ও তেমনি। তবে বেশির ভাগই আমি খারাপ সময়ই কাটাই। মানুষের জীবন থেকে যদি কিছু সময় মুছে ফেলা যেত তবে আমি আমার গত তিনটা বছর মুছে দিতাম। তারপর সাথে সাথেই রিসাইকেল বিনটাও এম্পটি করে দিতাম। অথবা সিফ্ট ডিলেট। কারন গত তিন বছর আমার সবচেয়ে খারাপ কেটেছে। সেগুলো ভুলে নতুন করে আবার শুন্য থেকে শুরু করতাম। এখনো মাঝে মাঝে মনে হয় নিজেকে ঢেলে সাজাই। কিন্তু শুরু করার আগেই আবার থমকে যাই। পিছুটানের ব্যাপারে আমি খুবই অগ্রমুখি। সবসময় অতীত নিয়ে চিন্তা করি। সত্যিই অতীত মানুষের পিছু ছাড়ে না। আমি বাক্সে বন্ধি হয়ে গেছি। বের হওয়া আর হল না। তবে আমি ফিরতে চাই। হতে চাই অসাধারন। আমাকে আবার নিজেকে নিয়ে ভাবতে হবে। আমি আজই শুরু করতে চাই। আমি জানি আমি পারব। তবুও হতাশ হই। আমি চেয়ে চেয়ে দেখি দাড়ি পরে যায় প্রতিটা গল্পের শুরুতে।

বদলে যেতে চাই

গত কিছু দিন ধরে ভবিষ্যত নিয়ে খুব চিন্তিত। প্রোগ্রামার হওয়ার খুব ইচ্ছা। স্বিদ্বান্ত নিতে পারছি না। পিএইচপি, সি শার্প, নাকি জাভা দিয়ে শূরু করব। গত কয়েক দিন ধরে লিনাক্স ইউজ করার জন্য খুব প্রস্তুতি চলছে। মনটাও খুব ভালো নেই। মনে হচ্ছে গ্রহ চুত্য হয়ে যাচ্ছি। পড়াশোনা করতেও ইচ্ছে করতেছে না। গত কাল স্টিভ জবসের জীবনিটা পড়লাম। তিনি এপ্যালের প্রতিষ্টাতা। মাঝে মাঝে মনে হয় কোন এক মনিষি বা সফল কারো জীবণি বেছে নিয়ে তার মত হয়ে যাই। আবার ভাবি স্টিভ জবস ভার্সিটি ছেড়ে দিয়ে কত বড় এক ব্যাক্তিত্ব হয়ে গেলেন। সব ছেড়ে দিয়ে নিজের ভালবাসার কাজটি বেছে নেই। এই রকমও ভেবেছি অনেক বার। আমার আশে পাশে ইন্সপায়ারেশন দেওয়ার মত কেউ নেই। আমার ফ্রেন্ডরা কিছু বুঝে না বললেই চলে। সারাক্ষন শুধু গালফ্রেন্ডকে খুশি করার চিন্তায় ব্যাস্ত। তাদের সুখি জীবনে হয়ত ভবিষ্যত ভাবার কোন প্রয়োজনই দেখা দেয়নি। ওদেরতো অনেক ভালো অবস্থা। কিন্তু আমারত তেমন না। সুতরাং ওদের সাথে তাল মিলালে চলবে না। আমাকে আমার মত হতে হবে। আমাকে অবশ্যই অসাধারন হতে হবে। আবার ভাবি এক কষ্ট করে এত পড়াশোনা করে কি হবে। মৃত্যুতো ওৎ পেতে আছে। মরে গেলেতো সব শ...

সহজে বলে দেয়া কতগুলো কঠিন কথা

আমার এখন আর কষ্ট হয় না তোমার জন্য। সত্যি বলছি বুকের ভেতর আর কোন দীর্ঘশ্বাস জন্ম নেয় না। কিন্তু জান খুব নিঃসঙ্গ মনে হয় নিজেকে। মাঝে মাঝে তোমাকে আমার মনে পড়ে। যখন মনে পড়ে আমার সময় কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায়। কিছু স্মৃতি আমার চোখের সামনে ভাসতে থাকে। এরপর আমি তোমাকে আর ভাবি না, ভাবতে পারি না। অথচ একদিন এমন ছিলাম না আমি, সারাক্ষণই তোমাকে ভাবতাম। আমার ঐ চরম মূহুর্তগুলোতে একমাত্র অনুভূতি ছিলে তুমি। আমি তোমাকে ভাবতে চাইতাম না, জোর করে ভুলে থাকতে চাইতাম তোমাকে। কিন্তু পারতাম না। ভুলে যাবার প্রচন্ড চেষ্টা করে যতই আমি নিজের ভেতরে যত প্রবেশ করি, ঘুরে ফিরে চলে আমি ঠিক চলে যেতাম তোমার কাছে। তোমাকে নিয়ে আমার চারপাশে একটা বৃত্ত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। আমি সেই বৃত্তের মাঝে ঘোরপাক খাচ্ছিলাম। শত চেষ্টা করেও আমি সেই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছিলাম না। অসংখ্য নির্ঘুম রাতে আমি ভেবেছি তোমার কথা, তোমার ফিক করে হেসে ফেলা হাসির শব্দের কথা, যে হাসির শব্দ আমাকে ভুলিয়ে দিত আমি বন্দী, আমি অসহায়। তোমাকে ভালবাসা অনেক বড় অপরাধ ছিল। আমি মেনে নিয়েছিলাম আমার ভাগ্য, যেমন করে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা প্রাণী মেনে নেয় ...