সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কত পথ রয়েছে বাকি

সূর্য হেলে পশ্চিমে দোলে। বয়স আমার দুপুর ছুইছুই। কিন্তু আমার দেখা হয়নি কিছুই। সুণিলের মত বলতে গেলে সেই রায়ের গুলি, সেই লাঠি লজেন্স আমায় কেউ ফিরিয়ে দেবেনা। সফলদের দেখলে খুবই ভালো লাগে কিন্তু ব্যার্থতার ঘোলাটে আলোয় আমি হারিয়েছি পথ। ফিরে আসার চরম ইচ্ছে আছে কিন্তু মহাকর্ষ বলের মত কিছু একটা সবসময় আকর্ষন করে আছে। আমার আর ফেরা হয়না।


উপরের লাইনগুলো খুব কঠিন করে লেখা। যেহেতু আমাকে নিয়ে নজরুল কিংবা রবীন্দ্রনাথের মত গবেষনা হবে না তাই নিজেই সহজ করে দিচ্ছি।....... আমার আজ বলতে দ্বিধা নাই। আমি খুব পিছনের সারির মানুষ। সফলতা সবার জন্য সোনার হরিণ কিন্তু আমার জন্য মরিচিকা। চেষ্টা না করে কিংবা অনেক চেষ্টা করেও কখনো সফল হতে পারি নাই। সমস্যাটা আমার খুব বেশি প্রকট। স্বিদ্ধান্ত বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ যা আমাকে দিয়ে হয়না।
কচ্ছপরা দৌড়ে জিতে কারন সে বদ্ধ পরি কর। কচ্ছপে আরকটা স্বভাবের কথা বলি... কচ্ছপ কাউকে কামর দিয়ে মুখ ও মাথা তার খোলসের মধ্যে ডুকিয়ে নেয়। তারপর বাইরে থেকে যতই চেষ্টা করুন কোন লাভ নাই সে তার মাথা বের করবেনা। আমাকেও কচ্ছপের মত হতে হবে। আমার কাজগুলো নিয়ে এই রকম হতে হবে। আর ভাল লাগার কাজটি খোজে নিতে হবে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জীবন যেমন হয়।

আমি জীবনকে জিগ্যেস করলাম “ তুমি এত কঠিন কেন...?? জীবন হাসল আর বলল “ তুমিতো সহজপ্রাপ্য জিনিস গুলো পছন্দ করোনা!!” আসলেই আমরা সহজে যা পাই তার প্রতি কেন যেন আকর্ষণ হারিয়ে ফেলি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

২০০০ সালের জানুয়ারী মাস। আমার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম দিন। জানুয়ারী মাসে তখন হাড় কাপানো শীত পড়ত। চাঁদপুর জোলার মতলব থানার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়। দিনক্ষন মনে নাই শুধু মনে আছে আমি ও আমার দুই কাজিন একসাথে গিয়েছিলাম ভর্তি হতে। যাহোক, যেদিন প্রথম ক্লাসে গেলাম সেদিন একটু দেরি করে ফেলেছিলাম। প্রথমে ইংরেজি ক্লাস ছিল। সংকর স্যার ছিলেন মাধ্যমিকের আমার প্রথম শিক্ষক। প্রথম প্রথম সব কিছুই অন্য রকম। সেদিন খুবই উপভোগ করেছিলাম। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এখানেই পড়াশোনা করি। সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্মৃতিময় অধ্যায়। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত আমি স্কুলের হোষ্টেলে থেকে পড়াশোনা করি। হোষ্টেল জীবনের কথা আমি জীবনেও ভুলতে পারবনা। খুব খুব মজার ছিল সেই সময় গুলো। এখন সেই সময়গুলো খুবই মিস করি।আমি ২০০৫ সালে বিঙ্জান বিভাগ থেকে এসএসসি পরিক্ষা দেই। আমরা যখন পরিক্ষা দেই তখন আমাদের সময়গুলো খুবই দারুন ছিল। হোষ্টেল থেকে রিক্সা অথবা ট্রলারে করে পরিক্ষা দিতে যেতাম। ওহ......... সেই দিনগুলো কি দারুন ছিল। আজ আবার সেই দিনগুলো ফিরে পেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। জানি তা ফির...

আমার ব্যর্থ আত্ম-সম্মোহন

এখন প্রায়ই মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়। গলাটা যেন শুকনো কাঠ হয়ে যায় তবুও যেন পিপাসা পায় না। টেবিল থেকে হাত বাড়িয়ে পানির গ্লাসটা উঠিয়ে নেই। বিছানায় বারবার পাশ ফিরতে ইচ্ছে করে না। বেলকনিতে দাড়িয়ে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে চাঁদের দিকে। মাঝে মধ্য চাঁদটা আমায় ফাঁকি দিয়ে লুকিয়ে পরে দূরের দেবদাড়ু গাছের আরালে। আমার দীর্ঘক্ষনের নরবতা ভাঙ্গে রাত জাগা কোন পাখির ডানা ঝাপটানিতে। মাঝেমাঝে সন্ধ্যারাতে সোডিয়াম লাইটের আলোয় রাস্তায় হাটি। আশেপাশে তাকিয়ে দেখি, আমার মত মন খারাপ করা আর কোন মানুষ আছে কিনা। আশ্চর্য!!! সবাই কত ব্যস্ত। একাই আমি আবার হেটে চলি অজানার উদ্দ্যেশ্যে।কখনো রেললাইনের পথ ধরে হেটে চলি চারু কলা কিংবা বদ্ধ্যভুমিতে। শহীদ মিনারের পাশ দিয়েও হেটে চলি একাকি। আর মনেমনে প্রতিঙ্ঘা করি ওই অহংকারি মেয়েটির জন্য আমি আর মন খারাপ করে থাকবনা। আজ থেকে আমার কোন কষ্ট নেই। আমি আর কোন কষ্ট পাব না।ব্যর্থ হয় আমার আত্ম-সম্মোহন। একরাশ না পাওয়ার কষ্টে আচ্ছন্ন হয় আমার অনিয়ত্রিত মনটা। আমি আবার ভাবতে থাকি। গড়তে থাকি আরেকটা সপ্ন। অতঃপর আবার মন খারাপ করে থাকি।