সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বদলে যেতে চাই

গত কিছু দিন ধরে ভবিষ্যত নিয়ে খুব চিন্তিত। প্রোগ্রামার হওয়ার খুব ইচ্ছা। স্বিদ্বান্ত নিতে পারছি না। পিএইচপি, সি শার্প, নাকি জাভা দিয়ে শূরু করব। গত কয়েক দিন ধরে লিনাক্স ইউজ করার জন্য খুব প্রস্তুতি চলছে। মনটাও খুব ভালো নেই। মনে হচ্ছে গ্রহ চুত্য হয়ে যাচ্ছি। পড়াশোনা করতেও ইচ্ছে করতেছে না। গত কাল স্টিভ জবসের জীবনিটা পড়লাম। তিনি এপ্যালের প্রতিষ্টাতা। মাঝে মাঝে মনে হয় কোন এক মনিষি বা সফল কারো জীবণি বেছে নিয়ে তার মত হয়ে যাই। আবার ভাবি স্টিভ জবস ভার্সিটি ছেড়ে দিয়ে কত বড় এক ব্যাক্তিত্ব হয়ে গেলেন। সব ছেড়ে দিয়ে নিজের ভালবাসার কাজটি বেছে নেই। এই রকমও ভেবেছি অনেক বার।
আমার আশে পাশে ইন্সপায়ারেশন দেওয়ার মত কেউ নেই। আমার ফ্রেন্ডরা কিছু বুঝে না বললেই চলে। সারাক্ষন শুধু গালফ্রেন্ডকে খুশি করার চিন্তায় ব্যাস্ত। তাদের সুখি জীবনে হয়ত ভবিষ্যত ভাবার কোন প্রয়োজনই দেখা দেয়নি। ওদেরতো অনেক ভালো অবস্থা। কিন্তু আমারত তেমন না। সুতরাং ওদের সাথে তাল মিলালে চলবে না। আমাকে আমার মত হতে হবে। আমাকে অবশ্যই অসাধারন হতে হবে। আবার ভাবি এক কষ্ট করে এত পড়াশোনা করে কি হবে। মৃত্যুতো ওৎ পেতে আছে। মরে গেলেতো সব শেষ। একটু পর আবার ভাবি তাই বলে কি থেমে যাব। না। তাতো হয় না।
খুব ইচ্ছা আব্বাকে দেখাই আমার কষ্টের জীবনটা। তাহলে হয়তো আর কষ্ট করে এই শহরে আর পড়া শোনা করতে হবে না। কিন্তু যখনই আব্বা ফোন করে তখনই মন ভালো হয়ে যায়। আসলেই আব্বাকে অনেক ভালবাসি। তাই কিছু বলতে পারি না। একদিন ঠিকই বলব। হয়তো বলব না। জানি না কি হবে আমার।ইদানিং সিগারেট খাওয়াটা অভ্যাসে পরিনত হয়েছে। জীবনটাকে অপচয় করে ফেলেছি। এখন আর ফিরার সময় নাই। তাই শুধুই কষ্ট পাই।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আমার সম্পর্কে

আমার ওজন আছে, স্থান দখল করি। আমাকে ধাক্কা দিলে নির্দিষ্ট বল ছাড়া নড়ানো যায় না, তবুও লোকে আমাকে অপদার্থ বলে। যেহেতু ব্যাপারটা পদার্থবিজ্ঞান মেনে নেয় না, তাই অত চিন্তা করি না। আমার নাম মোহাম্মদ আল আমিন। কতজন বিশ্বাস করে তা বলা কঠিন, তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নিজের সম্পর্কে আর কী বলব বুঝতে পারছি না। তবে কিছু স্বভাবের কথা বলি। বন্ধুরা আমার খুব প্রিয় হলেও তাদের কাছ থেকে দূরে থাকি। মেয়েদের প্রতি আগ্রহ আছে, তবে আসক্তি নেই। বিছানা আমার খুব প্রিয়—তবে ঘুমানোর জন্য নয়। NASA, মার্কিন সিনেট, তালেবান, হামাস থেকে শুরু করে নক্ষত্র ও গ্রহাণুপুঞ্জেও চলে যাই এই বিছানায় শুয়ে। যখন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আবিষ্কার করি কোনো গ্রহ অথবা গাজাকে স্বাধীন করি ইসরাইলের হাত থেকে, তখন ঘুম এসে যায় চোখে। অলস শব্দটা সম্ভবত আমার জন্যই। আমি খুব খেতে পছন্দ করি। যে খাবার জীবনেও দেখিনি, সেটাও খেতে আপত্তি করি না। প্রিয় স্বাদ ঝাল, অপছন্দ মিষ্টি। আমার কিন্তু ডায়াবেটিস নেই। ভালোবাসি বেঁচে থাকাটা, ভালো লাগে না ঢাকায় থাকাটা। ইচ্ছে করে একা একা হাঁটি, সমস্যা হল ঢাকার রাস্তায় জীবন এখন ঝুঁকির মধ্যে থাকে। ভালো লাগে হালকা শীতে টেবিল ফ্যান চ...

ভালবাসা!

ভালোবাসা কার্ড বা গিফট এর মধ্যে থাকেনা যখন রাস্তা পার হবার সময় আমি তোমার হাত ধরে রাখি সেটাই ভালবাসা! ভিড়ের মধ্যে তোমাকে খুজে পেয়ে আমার মিস করা হার্টবিট গুলো আবার নিয়ন্ত্রিত তালে চলতে থাকে .. যখন তুমি আমাকে নিশ্চিত কর আমাকে কখনো ছেড়ে যাবেনা ভালোবাসা হচ্ছে অকারনেই তোমার অজস্র কথার তুবড়ি!! ভালোবাসা হচ্ছে যখন গোপনে তুমি আমার সাফল্লের জন্য প্রার্থনা কর!!

শিখতে হবে সবখানে- সালমান খান-খান একাডেমি

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সালমান খানের জন্ম ১৯৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্সে। সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিন নির্বাচিত বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির মধ্যে স্থান পেয়েছেন সালমান। ১০ মে ২০১২ রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে তিনি বক্তৃতা দেন। বক্তৃতাটির ভাষান্তর।   আজ এখানে বক্তৃতা দিতে পারা আমার জন্য সত্যিই এক বিরাট সম্মানের ব্যাপার। আমি বেশ বুঝতে পারছি যে, এখানে দাঁড়ানোয় ৩৫ বছরের নিজেকে তোমাদের তুলনায় অনেক বয়স্ক দেখাচ্ছে! কিন্তু আমার নিজের কাছে মনে হচ্ছে, আমি যেন আমার ছোট ভাইবোনদের কিছু বলতে এসেছি। আজ আমি তোমাদের সঙ্গে কিছু চিন্তাভাবনা শেয়ার করতে চাই। এমন কিছু ব্যাপার, যা নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখি, দেখতাম এবং এখনো দেখছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই তোমরা একটি বড় ডিগ্রি অর্জন করতে যাচ্ছো। নিঃসন্দেহে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্মান। এই সম্মান তোমাদের জীবনকে অনেকখানি এগিয়ে দেবে। তোমাদের এই অর্জন কাজে লাগিয়ে কীভাবে পৃথিবীর সামগ্রিক উন্নয়ন আরও বৃদ্ধি করা যায়, পৃথিবীটাকে আরেকটু সুন্দর করা যায়, সেটা নিয়ে তোমাদের ভাবতে হবে। ২০০৯ সালে আমি যখন খান একাডেমি শুরু করি তখন আমি একটা সাজানো-গোছ...