সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অতঃপর বলার কিছুই থাকেনা

"ব্যাস্ততা আমাকে দেয়না অবসর”।সব কিছুই কেম যেন হয়ে যাচ্ছে। আমি জানি না আমার কি কাজ। আমি সময়গলো কাজে লাগাতে জানি না। ঘুমিয়ে আর নেট ব্রাউজিং করে আমার সময় কেটে যায়। প্রতিদিনই কিছু না কিছু কাজ আগামি দিনের জন্য রেখে দেই। আমি কোন কাজই সময়ে করতে পারি না। আমার অলসতার জন্য জীবনে অনেক কিছুই হারিয়েছি। সেটা বুঝতে পারি কিন্তু সেই সীমাবব্ধতা থেকে মুক্তি মিলেনা কিছুতেই। প্রতিদিন বদলে যাওয়ার শপথ নেই। আবার সব কিছু ভুলে সেই আগের মত হয়ে যাই। সেই কল্পনায় বন্যতা আর শরীরে অলসতা নিয়ে আবার ছুটে যাই ব্যর্থদের অনূসরন করতে।মাঝে মধ্যে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়। তখন চোখ বন্ধ করে দুই হাত বাড়িয়ে কারো অস্থিত্বের কল্পনা করি। না, কেই আসে না। আসার কথাও না। আসারতো নিয়মও নেই। সবাইতো ব্যার্থতাকে মাড়িয়ে যেতে চায়। কে কতটা পারে সেটা সে নিজেও জানে না। যখন দাড়ি পরার সময় এসে যায় তখন ভাবতে বসে শুরুর হিসাব। মিলে না সবার। কেউ আমার দলে চলে আসে আর কেউ সফল হয়।আমি খুজে দেখি আমার অতীত সঙ্গিরা কেমন আছে। আমিই আগের মত আছি বাকিরা হয় বদলে গেছে আথবা মরে গেছে। কিন্তু এই শ্রেনিতে কেউই আমাকে সঙ্ঘ দেওয়ার জন্য থাকে না। আমি আবার একা হয়ে যাই।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জীবন যেমন হয়।

আমি জীবনকে জিগ্যেস করলাম “ তুমি এত কঠিন কেন...?? জীবন হাসল আর বলল “ তুমিতো সহজপ্রাপ্য জিনিস গুলো পছন্দ করোনা!!” আসলেই আমরা সহজে যা পাই তার প্রতি কেন যেন আকর্ষণ হারিয়ে ফেলি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

২০০০ সালের জানুয়ারী মাস। আমার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম দিন। জানুয়ারী মাসে তখন হাড় কাপানো শীত পড়ত। চাঁদপুর জোলার মতলব থানার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়। দিনক্ষন মনে নাই শুধু মনে আছে আমি ও আমার দুই কাজিন একসাথে গিয়েছিলাম ভর্তি হতে। যাহোক, যেদিন প্রথম ক্লাসে গেলাম সেদিন একটু দেরি করে ফেলেছিলাম। প্রথমে ইংরেজি ক্লাস ছিল। সংকর স্যার ছিলেন মাধ্যমিকের আমার প্রথম শিক্ষক। প্রথম প্রথম সব কিছুই অন্য রকম। সেদিন খুবই উপভোগ করেছিলাম। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এখানেই পড়াশোনা করি। সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্মৃতিময় অধ্যায়। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত আমি স্কুলের হোষ্টেলে থেকে পড়াশোনা করি। হোষ্টেল জীবনের কথা আমি জীবনেও ভুলতে পারবনা। খুব খুব মজার ছিল সেই সময় গুলো। এখন সেই সময়গুলো খুবই মিস করি।আমি ২০০৫ সালে বিঙ্জান বিভাগ থেকে এসএসসি পরিক্ষা দেই। আমরা যখন পরিক্ষা দেই তখন আমাদের সময়গুলো খুবই দারুন ছিল। হোষ্টেল থেকে রিক্সা অথবা ট্রলারে করে পরিক্ষা দিতে যেতাম। ওহ......... সেই দিনগুলো কি দারুন ছিল। আজ আবার সেই দিনগুলো ফিরে পেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। জানি তা ফির...

সহজে বলে দেয়া কতগুলো কঠিন কথা

আমার এখন আর কষ্ট হয় না তোমার জন্য। সত্যি বলছি বুকের ভেতর আর কোন দীর্ঘশ্বাস জন্ম নেয় না। কিন্তু জান খুব নিঃসঙ্গ মনে হয় নিজেকে। মাঝে মাঝে তোমাকে আমার মনে পড়ে। যখন মনে পড়ে আমার সময় কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায়। কিছু স্মৃতি আমার চোখের সামনে ভাসতে থাকে। এরপর আমি তোমাকে আর ভাবি না, ভাবতে পারি না। অথচ একদিন এমন ছিলাম না আমি, সারাক্ষণই তোমাকে ভাবতাম। আমার ঐ চরম মূহুর্তগুলোতে একমাত্র অনুভূতি ছিলে তুমি। আমি তোমাকে ভাবতে চাইতাম না, জোর করে ভুলে থাকতে চাইতাম তোমাকে। কিন্তু পারতাম না। ভুলে যাবার প্রচন্ড চেষ্টা করে যতই আমি নিজের ভেতরে যত প্রবেশ করি, ঘুরে ফিরে চলে আমি ঠিক চলে যেতাম তোমার কাছে। তোমাকে নিয়ে আমার চারপাশে একটা বৃত্ত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। আমি সেই বৃত্তের মাঝে ঘোরপাক খাচ্ছিলাম। শত চেষ্টা করেও আমি সেই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছিলাম না। অসংখ্য নির্ঘুম রাতে আমি ভেবেছি তোমার কথা, তোমার ফিক করে হেসে ফেলা হাসির শব্দের কথা, যে হাসির শব্দ আমাকে ভুলিয়ে দিত আমি বন্দী, আমি অসহায়। তোমাকে ভালবাসা অনেক বড় অপরাধ ছিল। আমি মেনে নিয়েছিলাম আমার ভাগ্য, যেমন করে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকা প্রাণী মেনে নেয় ...