সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আজ: ১১.১১.১১ এবং আমার ঈদ-উল-আযহা।

বিংশ শতাব্দির একটি সাজানো সংখার তারিখ, ১১ নভেম্বর, ২০১১। ফেসবুক এবং ব্লগে সূখি মানুষরা এটা নিয় চরম মাতামাতি করছে। খুশি হওয়ার দিনই বলা চলে। একশত বছর পরপর এইরকম একটা তারিখ আসে। মাত্র তিন দিন হল ঈদ-উল-আযহার। ০৭.১১.২০১১ ছিল পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। আমার মনে আছে ছোটবেলার কোন এক ঈদে চার টাকা পেয়ে নাচতে নাচতে ঈদগাহে চলে গিয়েছিলাম। মিস করি সেই দিনগুলোকে। চরম ভাবে মিস করি। ১৯৮৮ সালে আমার জন্মের পর ২০০৭ সাল পর্যন্ত আমার সময়গুলো ভালোই কেটেছে। না, না, শুধু ভালো না অন্নেক ভালো কেটেছে। আমার যতটুকু মনে আছে ২০০৪-২০০৭ সালের ঈদ গুলো আমার বেশী ভালো কেটেছে।

কিন্তু তার পরবর্তি একটা ঈদও অন্যসাধারন দিনের চেয়ে তেমন আলাদা মনে হয়নি। বরং ঝামেলা পূর্নই ছিল। সর্বশেষ ২০১১ এর ঈদটা বেশী খারাপ কেটেছে। একটুও ভালো লাগেনি। অন্যান্য ঈদে সকালে ঘুম থেকে উঠে ফজরের নামাজ পড়ি এবার তা করা হয়নি। সকাল সাড়ে আটটায় ঘুমথেকে উঠে গোছল করে ঈদের নামাজ পড়তে চলে গেলাম মা, দাদি আর আন্টিকে সালাম করে। নামাজ শেষে গরু কাটাকাটি করলাম। এটা অবশ্য একটু ভালো লেগেছিল। তারপর আমার প্রতিদিনের সঙ্গি রকিবের সাথে আড্ডা এবং ব্যাডমিন্টন খেলে রাত বারোটার দিকে বাসায় চলে আসি। এই ঈদটা ছিল আমার সবচেয়ে কম ভালো লাগার ঈদ। ১০.১১.১১ ঢাকায় চলে আসি। আর আজ সকাল থেকে নেটে সময় কাটাচ্ছি। সারাদিন তাই করবো। কিছুই ভালো লাগছেনা।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আমার সম্পর্কে

আমার ওজন আছে, স্থান দখল করি। আমাকে ধাক্কা দিলে নির্দিষ্ট বল ছাড়া নড়ানো যায় না, তবুও লোকে আমাকে অপদার্থ বলে। যেহেতু ব্যাপারটা পদার্থবিজ্ঞান মেনে নেয় না, তাই অত চিন্তা করি না। আমার নাম মোহাম্মদ আল আমিন। কতজন বিশ্বাস করে তা বলা কঠিন, তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নিজের সম্পর্কে আর কী বলব বুঝতে পারছি না। তবে কিছু স্বভাবের কথা বলি। বন্ধুরা আমার খুব প্রিয় হলেও তাদের কাছ থেকে দূরে থাকি। মেয়েদের প্রতি আগ্রহ আছে, তবে আসক্তি নেই। বিছানা আমার খুব প্রিয়—তবে ঘুমানোর জন্য নয়। NASA, মার্কিন সিনেট, তালেবান, হামাস থেকে শুরু করে নক্ষত্র ও গ্রহাণুপুঞ্জেও চলে যাই এই বিছানায় শুয়ে। যখন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আবিষ্কার করি কোনো গ্রহ অথবা গাজাকে স্বাধীন করি ইসরাইলের হাত থেকে, তখন ঘুম এসে যায় চোখে। অলস শব্দটা সম্ভবত আমার জন্যই। আমি খুব খেতে পছন্দ করি। যে খাবার জীবনেও দেখিনি, সেটাও খেতে আপত্তি করি না। প্রিয় স্বাদ ঝাল, অপছন্দ মিষ্টি। আমার কিন্তু ডায়াবেটিস নেই। ভালোবাসি বেঁচে থাকাটা, ভালো লাগে না ঢাকায় থাকাটা। ইচ্ছে করে একা একা হাঁটি, সমস্যা হল ঢাকার রাস্তায় জীবন এখন ঝুঁকির মধ্যে থাকে। ভালো লাগে হালকা শীতে টেবিল ফ্যান চ...

ভালবাসা!

ভালোবাসা কার্ড বা গিফট এর মধ্যে থাকেনা যখন রাস্তা পার হবার সময় আমি তোমার হাত ধরে রাখি সেটাই ভালবাসা! ভিড়ের মধ্যে তোমাকে খুজে পেয়ে আমার মিস করা হার্টবিট গুলো আবার নিয়ন্ত্রিত তালে চলতে থাকে .. যখন তুমি আমাকে নিশ্চিত কর আমাকে কখনো ছেড়ে যাবেনা ভালোবাসা হচ্ছে অকারনেই তোমার অজস্র কথার তুবড়ি!! ভালোবাসা হচ্ছে যখন গোপনে তুমি আমার সাফল্লের জন্য প্রার্থনা কর!!

শিখতে হবে সবখানে- সালমান খান-খান একাডেমি

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সালমান খানের জন্ম ১৯৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্সে। সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিন নির্বাচিত বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির মধ্যে স্থান পেয়েছেন সালমান। ১০ মে ২০১২ রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে তিনি বক্তৃতা দেন। বক্তৃতাটির ভাষান্তর।   আজ এখানে বক্তৃতা দিতে পারা আমার জন্য সত্যিই এক বিরাট সম্মানের ব্যাপার। আমি বেশ বুঝতে পারছি যে, এখানে দাঁড়ানোয় ৩৫ বছরের নিজেকে তোমাদের তুলনায় অনেক বয়স্ক দেখাচ্ছে! কিন্তু আমার নিজের কাছে মনে হচ্ছে, আমি যেন আমার ছোট ভাইবোনদের কিছু বলতে এসেছি। আজ আমি তোমাদের সঙ্গে কিছু চিন্তাভাবনা শেয়ার করতে চাই। এমন কিছু ব্যাপার, যা নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখি, দেখতাম এবং এখনো দেখছি। কিছুক্ষণের মধ্যেই তোমরা একটি বড় ডিগ্রি অর্জন করতে যাচ্ছো। নিঃসন্দেহে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্মান। এই সম্মান তোমাদের জীবনকে অনেকখানি এগিয়ে দেবে। তোমাদের এই অর্জন কাজে লাগিয়ে কীভাবে পৃথিবীর সামগ্রিক উন্নয়ন আরও বৃদ্ধি করা যায়, পৃথিবীটাকে আরেকটু সুন্দর করা যায়, সেটা নিয়ে তোমাদের ভাবতে হবে। ২০০৯ সালে আমি যখন খান একাডেমি শুরু করি তখন আমি একটা সাজানো-গোছ...