সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

২০০০ সালের জানুয়ারী মাস। আমার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম দিন। জানুয়ারী মাসে তখন হাড় কাপানো শীত পড়ত। চাঁদপুর জোলার মতলব থানার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়। দিনক্ষন মনে নাই শুধু মনে আছে আমি ও আমার দুই কাজিন একসাথে গিয়েছিলাম ভর্তি হতে। যাহোক, যেদিন প্রথম ক্লাসে গেলাম সেদিন একটু দেরি করে ফেলেছিলাম। প্রথমে ইংরেজি ক্লাস ছিল। সংকর স্যার ছিলেন মাধ্যমিকের আমার প্রথম শিক্ষক। প্রথম প্রথম সব কিছুই অন্য রকম। সেদিন খুবই উপভোগ করেছিলাম। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত এখানেই পড়াশোনা করি। সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্মৃতিময় অধ্যায়। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত আমি স্কুলের হোষ্টেলে থেকে পড়াশোনা করি। হোষ্টেল জীবনের কথা আমি জীবনেও ভুলতে পারবনা। খুব খুব মজার ছিল সেই সময় গুলো। এখন সেই সময়গুলো খুবই মিস করি।আমি ২০০৫ সালে বিঙ্জান বিভাগ থেকে এসএসসি পরিক্ষা দেই। আমরা যখন পরিক্ষা দেই তখন আমাদের সময়গুলো খুবই দারুন ছিল। হোষ্টেল থেকে রিক্সা অথবা ট্রলারে করে পরিক্ষা দিতে যেতাম। ওহ......... সেই দিনগুলো কি দারুন ছিল। আজ আবার সেই দিনগুলো ফিরে পেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। জানি তা ফির...

প্রাথমিক বিদ্যালয়

খুব ছোটবেলার কথা তেমন একটা মনে নাই। ১৯৯৬ সালে আমি প্রখম বারের মত পড়াশোনার উদ্দ্যেশ্যে স্কুলে যাওয়া শুরু করি। এনায়েত নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এখানে এক বছরের মত পড়াশোনা করি। প্রথম শ্রেনী এখানেই শেষ করি। দ্বিতীয় শ্রেনীতে আর পড়া হয়নি। সরাসরি তৃতীয় শ্রেনীতে ভর্তি হই রসুলপুর কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তখন ১৯৯৭ সাল। ১৯৯৯ সাল অর্থাৎ পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত এখানেই অবস্থান করি। রসুলপুর কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমার বেশ কয়েক জন বন্ধু ছিল। তাদের মাঝে যাদের কথা খুব মনে পরে: হেলাল, রাসেল,ইসরাফিল, ফয়সাল, আলো, রাজিব আরো অনেক। ওদের সাথে এখন অনেক কম যোগাযোগ হয়। আসলে সবাই নিজেকে নিয়ে খুব ব্যস্ত খাকে। হয়তো কাজ ও পড়াশোনার জন্য সময় বের করা যায় না বলেই এমন হয়।আমি খুব নষ্টালজিক। আমি ওদের অনেক অনেক মিস করি। আর অনেক ভালবাসি।এটা খুব ছোট একটা স্কুল ছিল। দুই জন শিক্ষক ও দুই জন শিক্ষিকা ছিলেন। হুমায়ুন কবির মিন্টু স্যার, বাবুল স্যার, ফাহমিদা ম্যাডাম, আরেক জন ম্যাডামের নাম মনে নাই। যখন গ্রমে যাই স্যারদের সাথে দেখা হয়। আমি স্যারদেরকে খুব ভালবাসি। আমার একটা ভাল গুন আছে। আমি এখন পর্যন্ত যত...

সেই দিন দেখা হয়েছিল

আমার এক বন্ধু ,  আমরা মাধ্যমিকেএকসাথে পড়তাম। আজ অনেক দিন পর সে আমাকে জিঙ্গেস করল আমিকেমন আছি। তাকে বলতে পারিনাই সবাইতো ভাল থাকতে পারেনা। কেমন যেন বিরক্তিকর লাগলআজ। একটু আবেগও কাজ করলনা। সত্যি আমি আর নেই সে আমি। যাহোক ,  তার একটা বাচ্চাহয়েছে। এখন সে পুরো দস্তুর গৃহিনি। তাকে বললাম স্রোতে বাসিয়ে দিয়েছি নিজেকে।কোন ডেসটিনেশন নাই। তবে একটা প্রবল চাওয়া আছে ,  যেন ভাল থাকি সবসময়।

আমার ব্যর্থ আত্ম-সম্মোহন

এখন প্রায়ই মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়। গলাটা যেন শুকনো কাঠ হয়ে যায় তবুও যেন পিপাসা পায় না। টেবিল থেকে হাত বাড়িয়ে পানির গ্লাসটা উঠিয়ে নেই। বিছানায় বারবার পাশ ফিরতে ইচ্ছে করে না। বেলকনিতে দাড়িয়ে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে চাঁদের দিকে। মাঝে মধ্য চাঁদটা আমায় ফাঁকি দিয়ে লুকিয়ে পরে দূরের দেবদাড়ু গাছের আরালে। আমার দীর্ঘক্ষনের নরবতা ভাঙ্গে রাত জাগা কোন পাখির ডানা ঝাপটানিতে। মাঝেমাঝে সন্ধ্যারাতে সোডিয়াম লাইটের আলোয় রাস্তায় হাটি। আশেপাশে তাকিয়ে দেখি, আমার মত মন খারাপ করা আর কোন মানুষ আছে কিনা। আশ্চর্য!!! সবাই কত ব্যস্ত। একাই আমি আবার হেটে চলি অজানার উদ্দ্যেশ্যে।কখনো রেললাইনের পথ ধরে হেটে চলি চারু কলা কিংবা বদ্ধ্যভুমিতে। শহীদ মিনারের পাশ দিয়েও হেটে চলি একাকি। আর মনেমনে প্রতিঙ্ঘা করি ওই অহংকারি মেয়েটির জন্য আমি আর মন খারাপ করে থাকবনা। আজ থেকে আমার কোন কষ্ট নেই। আমি আর কোন কষ্ট পাব না।ব্যর্থ হয় আমার আত্ম-সম্মোহন। একরাশ না পাওয়ার কষ্টে আচ্ছন্ন হয় আমার অনিয়ত্রিত মনটা। আমি আবার ভাবতে থাকি। গড়তে থাকি আরেকটা সপ্ন। অতঃপর আবার মন খারাপ করে থাকি।

আমার প্রিয় ভুলগুলো।

আমার ব্যাক্তিগত জীবনে ভূলের হিসাব করতে গেলে আমি নেহাত বিপদেই পরে যাব। মাঝে মাঝে মনে হয় আমি যা করেছি তার বেশীর ভাগই ভুল। কখনো কখনো মনে হয় যদি আবার শুন্য থেকে শুরু করতে পারতাম। তবে আর একটাও বাজে কবিতা লিখতাম না, ঘুমিয়ে সময় নষ্ট করতাম না এক বিন্দুও….সবার সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলতাম। আমি কিন্তু রাগিনা, তবে ভীষন অভিমানি। আশেপাশের সবার উপর আমার আমার অভিমান হয়। তবে কাউকে বুজতে দেইনা। নিজের কষ্টকে নিজের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখি। তবে আমি কিন্তু দুঃখিনা দারুন সূখি মানুষ। যখন ছোটখাটো ব্যাপারে মন খারাপ হয় তখন অভীমান দানা বাঁধে। তখন ভাবতে বসি আথবা লিখতে। নিজের কষ্টগুলোকে অনুবাদ করি কবিতার ভাষায়। আথবা গিটারের টুংটাং শব্দে দূরের মেঘের আরালে হারিয়ে যায় আমার বিষন্নতা।সব সময়ই আমার মনে হয় আমি কিছুই পারি না। মনে হয় কেন যে আগে থেকে সব কিছু শিখে রাখলাম না। তাহলে আর এত ব্যর্থ সময় পার করতে হত না। তাই সবার প্রতি আমার অনুরোধ আগে থেকে সব কিছু শিখে রাখবেন।

আমি কেন যেন এই রকমই

আমার পরিচয় বলতে এতটুকুই, সবই আমাকে আল আমিন বল ডাকে। এটাই আমার নাম। আমি গল্প করতে, পড়তে ও লিখতে ভালবাসি। মাঝেমধ্যে কবিতাও লেখি। আমার বেশীর ভাগ সময় কাটে দুঃশ্চিন্তা করে। মনেমনে তাজমহল ও বানাই। আবার আফগানিস্তান স্বাধীনও করি। আমি খুব কল্পনা বিলাসী। মাথার মধ্যে সবসময় বিভিন্ন চিন্তা গুরপাক খায়। অবসরে গান শুনি, নেট ব্রাউজ করি, চেটিং করি, মাঝে মাঝে ঘুরতে রের হই। আর সমুদ্র আমার খুব প্রিয়। বিকেল বেলা নদীর ধারে একলা বসে থাকতে ভাল লাগে। বন্ধুরা আমার খুব প্রিয় হলও আমি তাদের কাছ থেকে দুরে থাকি। আমি খুবই অন্তর্মুখি। কখনো আবার বেশী কথাও বলি। সাধারনত উপযাচক হয়ে কথা বলি না। বেশীর ভাগ সময় বাসায় কাটাই। চা, সিঙ্গারা, ঝাল মুড়ি ও চানাচুর খুব প্রিয়। মাঝে মাঝে রান্না করতেও ভাল লাগে। আর কী বলব। আই হেট লাভ স্টোরিস। মেয়েদের প্রতি আগ্রহ আছে কিন্তু আসক্তি নাই। aND tHAT'S iT.